নিজস্ব সংবাদদাতা: জে. ডি. উজ্জ্বল
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী রিকশা, ভ্যান ও অটোচালক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মিস্টার বাদশা ভাসানী দলের দুঃসময়ে আন্দোলন-সংগ্রামে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনকারী ত্যাগী নেতা-কর্মীদের যথাযথ মূল্যায়ন ও দলীয় স্বীকৃতির দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর সুদৃষ্টি ও কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করেন।
বাদশা ভাসানী বলেন, বিএনপির রাজনৈতিক দুঃসময়ে যখন অনেকেই নীরব ভূমিকা পালন করেছেন, তখন তৃণমূলের ত্যাগী নেতা-কর্মীরাই রাজপথে থেকে আন্দোলন-সংগ্রাম চালিয়ে গেছেন। মামলা, হয়রানি, গ্রেপ্তার আতঙ্ক ও নানা প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও তারা দলের আদর্শ ও কর্মসূচির প্রতি অবিচল থেকেছেন।
তিনি জানান, ২০১৮ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত সময়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল সালামের নির্দেশনায় সংগঠনের নেতৃবৃন্দ সক্রিয়ভাবে মাঠে কাজ করেছেন। এ সময় কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি কমান্ডার মিস্টার বাদশা ভাসানী, সাধারণ সম্পাদক মো. আফজাল হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মিন্টু, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক মো. নাজমুল হোসেন, সহ-সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক মো. মাহবুবুর রহমান, ত্রাণবিষয়ক সম্পাদক মো. রেজাউল করিম রেজা, প্রচার সম্পাদক মো. আরিফ, দপ্তর সম্পাদক মাওলানা জীবন দেওয়ান উজ্জ্বলসহ অসংখ্য নেতা-কর্মী আন্দোলন ও সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করেন।
তিনি আরও বলেন, ঢাকা-১৭ আসনের উপনির্বাচনে সংগঠনের নেতাকর্মীরা টানা ২৫ দিন প্রচার-প্রচারণায় অংশগ্রহণ করেন। এছাড়া তার নেতৃত্বে প্রায় দুই হাজার রিকশার একটি বিশাল শোডাউন অনুষ্ঠিত হয়, যা সংগঠনের সাংগঠনিক সক্ষমতা ও দলের প্রতি আনুগত্যের প্রতিফলন বলে তিনি উল্লেখ করেন।
বাদশা ভাসানীর মতে, দীর্ঘদিন ধরে রাজপথে থেকে আন্দোলন-সংগ্রাম করা ত্যাগী নেতা-কর্মীদের যথাযথ মূল্যায়ন ও স্বীকৃতি না পেলে তাদের মধ্যে হতাশা সৃষ্টি হতে পারে। তাই দলের দুঃসময়ে যারা আত্মত্যাগ, নির্যাতন ও হয়রানির শিকার হয়েও সংগঠনের পাশে ছিলেন, তাদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করা সময়ের দাবি।
তিনি বলেন, “দলের জন্য যারা ত্যাগ স্বীকার করেছেন, তাদের অবদান মূল্যায়ন করতে হবে। ত্যাগী নেতা-কর্মীদের মধ্যে ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং দলীয় স্বীকৃতি প্রদান করলে তারা আরও অনুপ্রাণিত হবেন এবং দলকে শক্তিশালী করতে কার্যকর ভূমিকা রাখবেন।”
শেষে তিনি দলের সর্বস্তরের নেতা-কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ত্যাগী ও পরীক্ষিত কর্মীদের মূল্যায়নের মাধ্যমেই একটি রাজনৈতিক সংগঠন আরও সুসংগঠিত, শক্তিশালী ও জনমুখী হয়ে উঠতে পারে।উপশিরোনাম: “দলের দুঃসময়ে ত্যাগী নেতা-কর্মীদের ন্যায্য অধিকার ও দলীয় স্বীকৃতি নিশ্চিত করে তাদের আরও অনুপ্রাণিত করতে হবে” — কমান্ডার মিস্টার বাদশা ভাসানী
মন্তব্য করুন